Posts

Showing posts from February, 2020

শেষ দেখা || Bengali Short Story ||

Image
শেষ দেখা -           শুভম বেরা মুখ থেকে বিয়ারের বোতল টা নামিয়ে পাশে রেখে অমিত বলল, “তাহলে, তুই   শুনবি না ? ” “হচ্ছে না আমার দ্বারা আর।” কথা টা বলেই তৃতীয় বোতলের বিয়ারের শেষটুকু এক দমে খেয়ে নিল লাবন্য। “কিন্তু লাবন্য, তুই তো বড়। তুই অন্তত বোঝ। ” “কি বুঝবো বল?! একটা মানুষ দিনের পর দিন আমার সাথে এরকম করে যাবে আমি সব টা মেনে নেব? ” “কিন্তু, তুই হাল কেন ছাড়ছিস? এত পুরনো একটা সম্পর্ক। এতদিন যখন পেরেছিস সারাজীবন পারবি তুই। একটু বিশ্বাস রাখ। সব ঠিক হয়ে যাবে।” “ঠিক আছে দেখবো ক্ষণ। ছাড় বাদ দে তুই। ” কথা টা বলেই, চতুর্থ বোতলটা খুলতে বসলো লাবণ্য। অমিত তখন আরেক ঢোক খেয়ে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে চুপ করে বসে রইল। শেষের কবিতা’র অমিত আর লাবন্যের থেকে কিন্তু, কলকাতার বালিগঞ্জের লাবন্য আর পার্ক সার্কাসের অমিত এর কাহিনীটা বেশ আলাদা। লাবন্য আর অমিত এর আলাপ কি ভাবে হয়েছিল সেটা আজও ওরা জানায় নি। পার্ক সার্কাসে বাড়ি হলেও অমিত থাকে সিঙ্গাপুরে। একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে রয়েছে। এতদিন ভারতেই ছিল। এক বছর হল সিঙ্গাপুরে...

অন্য বসন্ত || Bengali Short Story ||

Image
অন্য বসন্ত           - শুভম বেরা রাতের খাবার টা খেয়ে রীতম দোতলার ঘরে এসে টেবিলে বসলো। ঘড়িতে প্রায় এগারোটা বাজে। আর কিছুক্ষন পরেই ভ্যালেন্টাইনস ডে। রীতমের জীবনে একটা বিশেষ দিন হতে চলেছে আজ। টেবিলে বসে, সামনে খুলে রাখা ল্যাপটপে, তানিয়ার ছবিগুলো দেখছিল সে। তানিয়া চ্যাটার্জি। হঠাৎ করেই একটা দু’বছরের সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পরে যখন রীতম ভেঙ্গে পড়েছিল। তখনই উদয় হয় এই তানিয়ার। ফেসবুক থেকেই আলাপ। বাড়ি কোচবিহার। আসলে, রীতম নিজেই রিকোয়েস্ট টা পাঠিয়ে ছিল। তার বেশ কয়েকমাস পরে কথা শুরু হয়েছিল ওদের। তানিয়া বয়সে বড়। বেশি না ওই আট মাসের মত। কিন্তু, তাতে কি?! ভালো বন্ধুত্ব কোনদিন বয়স দেখে হয়েছে?   ভালোই কথা চলছিল ওদের। তানিয়ার একটা অতীত আছে। যাক গে, সেসব বলতে গেলে এটা আর গল্প থাকবে না বরঞ্চ উপন্যাস হয়ে যাবে। তার থেকে বরং রীতম আর তানিয়ার কথা বলি। কলেজ শেষ করে সদ্য তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় চাকরী পাওয়া কলকাতার রীতম চৌধুরী বর্তমানে ব্যাঙ্গালর নিবাসী। সব ঠিকঠাক চলছিল, হঠাৎ করেই কিরকম যেন ভেঙ্গে গেল সবটা। একটা বিশ্রী কারনে ২ বছরের সম্পর্কটা গত জন্মদিনের দিন ভে...